একটা পোশাক কারখানায় একই তথ্য বারবার লেখা হয় — মার্চেন্ডাইজারের ফাইলে একরকম, স্টোরের খাতায় আরেকরকম, কমার্শিয়ালের কাছে আরেকরকম। মাস শেষে কোন অর্ডারে লাভ হলো আর কোনটায় লোকসান, সেটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না। MaxTex গার্মেন্টস ইআরপি এই সমস্যাটাই সমাধান করে — বায়ারের অর্ডার যেদিন আসে সেদিন থেকে শিপমেন্ট যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটা ধাপ একই সিস্টেমে থাকে।
সমস্যাটা সফটওয়্যার না থাকার নয় — সমস্যা হলো আলাদা আলাদা এক্সেল ফাইল। কাটিং জানে না স্টোরে কত কাপড় আছে, কমার্শিয়াল জানে না প্রোডাকশন কতদূর, আর মালিক জানেন না আজকের অবস্থা কী। সবাই যখন একই সিস্টেমে কাজ করে, তখন এই দেয়ালগুলো থাকে না।
কী কী আছে
বায়ার অর্ডার ও মার্চেন্ডাইজিং
প্রতিটা অর্ডারের স্টাইল, কালার, সাইজ রেশিও, কোয়ান্টিটি আর ডেলিভারি তারিখ এক জায়গায়। কোন অর্ডার কোন পর্যায়ে আছে, এক নজরে দেখা যায়।
কাপড় ও এক্সেসরিজ ক্রয়
অর্ডার অনুযায়ী কনজাম্পশন হিসাব করে পারচেজ অর্ডার তৈরি হয়। সাপ্লায়ারের কাছ থেকে মাল এলে GRN দিয়ে স্টোরে ঢোকে, তাই কাগজে-কলমে আর বাস্তবে পার্থক্য থাকে না।
স্টোর ও ইনভেন্টরি
কোন লটের কত কাপড় কোথায় আছে, কতটুকু ইস্যু হয়েছে, কতটুকু বাকি — রিয়েল টাইমে। শর্টেজ ধরা পড়ে আগেই, কাটিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে নয়।
প্রোডাকশন — কাটিং, সুইং, ফিনিশিং
লাইন ধরে ধরে দৈনিক আউটপুট, বান্ডেল ট্র্যাকিং আর রোল অ্যালোকেশন। কোন লাইন পিছিয়ে আছে সেটা মাস শেষে নয়, সেদিনই জানা যায়।
কমার্শিয়াল ও এক্সপোর্ট ডকুমেন্ট
প্রোফর্মা ইনভয়েস, এলসি, এক্সপোর্ট ডকুমেন্ট — অর্ডারের সাথে যুক্ত অবস্থায় তৈরি হয়, তাই আলাদা করে টাইপ করতে হয় না।
অর্ডারভিত্তিক লাভ-লোকসান
কাপড়, এক্সেসরিজ, সিএম আর ওভারহেড মিলিয়ে প্রতিটা অর্ডারে আসলে কত থাকল — অনুমান নয়, সিস্টেমের হিসাব।
সিস্টেমটা বাংলাদেশের কারখানার বাস্তবতা মাথায় রেখেই বানানো — সাব-কন্ট্রাক্ট, রোল অ্যালোকেশন, বান্ডেল কার্ড, সবই আছে। একবার নিজের চোখে দেখে নিন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
