রোগী একবার এসে আবার ছয় মাস পরে এলে আগের প্রেসক্রিপশন আর টেস্ট খুঁজে পাওয়া যায় না — এটাই বেশিরভাগ ক্লিনিকের বড় সমস্যা। রোগীর একটা স্থায়ী ফাইল থাকলে চিকিৎসাও ভালো হয়, আর রোগীর আস্থাও বাড়ে।
কাউন্টারে বিল, ফার্মেসিতে আলাদা হিসাব, ল্যাবে আরেক খাতা — এই তিনটা আলাদা থাকলে দিন শেষে মোট আয় মেলানো কঠিন। আর কোন ডাক্তারের কত রোগী হলো, সেটাও হিসাব করা ঝামেলা।
কী কী আছে
রোগীর স্থায়ী রেকর্ড
প্রতিটা রোগীর ভিজিট, প্রেসক্রিপশন আর টেস্টের ফল এক ফাইলে — যতদিনই পরে আসুক, সব পাওয়া যাবে।
ডাক্তারের সিরিয়াল ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
কোন ডাক্তার কখন বসবেন, কতজন রোগী — আগেই সিরিয়াল দেওয়া যায়, তাই ওয়েটিং রুমে ভিড় কমে।
ওপিডি ও আইপিডি
বহির্বিভাগের রোগী আর ভর্তি রোগী — দুটোর জন্যই আলাদা ব্যবস্থা, বেড বরাদ্দসহ।
ফার্মেসি ও ওষুধের স্টক
হাসপাতালের নিজস্ব ফার্মেসির বিক্রি, স্টক আর মেয়াদের হিসাব একই সিস্টেমে।
ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক
টেস্টের অনুরোধ থেকে রিপোর্ট তৈরি — রোগীর ফাইলের সাথেই যুক্ত থাকে।
বিলিং ও দৈনিক আয়
কনসালটেশন, টেস্ট আর ওষুধ — সব এক বিলে। দিন শেষে ডাক্তারভিত্তিক আয়ও দেখা যায়।
ছোট ক্লিনিক থেকে মাঝারি হাসপাতাল — সব আকারের প্রতিষ্ঠানে চালানো যায়। ডেমো দেখতে যোগাযোগ করুন।
